ফরেক্স মার্কেট সম্পর্কে আমরা অনেকেই বেশ কৌতহলি। বর্তমান তথ্য ও প্রযুক্তির বদৌলতে “ফরেক্স” শব্দের সাথে অনেক মানুষ পরিচিত। এই আর্টিকেলে আমরা ফরেক্স সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো।
ফরেক্স মার্কেট বা ফরেন এক্সচেঞ্জ মার্কেট উভয় নামই তার জন্য সঠিক। ফরেক্স মার্কেট হলো বিশ্বের সবচাইতে বড়ো ফাইন্যান্সিয়াল মার্কেট প্লেস। এই মার্কেটে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুদ্রার এক্সচেঞ্জ বা বিনিময় হয়। একটি মজার বেপার হলো অন্যান্য ফাইন্যান্স মার্কেটের মতো এই মার্কেটের নির্দিষ্ট কোন সেন্ট্রাল বা কেন্দ্র নেই। ফরেক্স মার্কেট কে নির্দিষ্ট কেউ পরিচালনা করে না। বরং ফরেক্স মার্কেট ব্যাংক, ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউট এবং স্বতন্ত্র ট্রেডারদের একটি বৈশ্বিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
ফরেক্স মার্কেট কি?
ফরেক্স মার্কেট মূলত একটি এক্সচেঞ্জ মার্কেট। এই মার্কেট ডি-সেন্ট্রালাইজড, মানে যার কোন নিয়ন্ত্রণ এরিয়া এবং নিয়ন্ত্রক নেই। ফরেক্স মার্কেটে একটি দেশের মুদ্রার বিপরীতে অন্য দেশের মুদ্রায় ট্রেড করা হয়। ফরেক্স মার্কেটের মূল উদ্দেশ্য হলো আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য এবং বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের সুবিধা প্রদান করা। উদাহরণ হিসেবে বলতে পারি যেমন, এক দেশ অন্য দেশ এর সাথে পন্য ও সেবা আমদানি/রপ্তানি করে তখন তাদের মধ্যে উভয় দেশের মুদ্রার বিনিময় করতে হয়। এই বিনিময় প্রক্রিয়া মূলত ফরেক্স মার্কেটের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়ে থাকে।
যেমন ধরুন একজন মার্কিন ব্যবসায়ী ইউরোপ থেকে কোন পন্য ও সেবা আমদানী করেন, তখন তাকে পেমেন্ট করার জন্য ইউরো ব্যবহার করতে হয়। ব্যবসায়ী যেহেতু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেহেতু তার নিকট মার্কিন ডলার থাকবে এটাই স্বাভাবিক। ইউরো পেমেন্ট করার জন্য উক্ত ব্যবসায়ীর নিকট থাকা মার্কিন ডলার ইউরোতে এক্সচেঞ্জ করা বাধ্যতামূলক। এইসব লেনদেন ছাড়াও আরো অনেক খাত আছে যার লেনদেনের প্রভাব ফরেক্স মার্কেটে পড়ে। এই প্রভাবের কারনে মার্কেট উত্থান এবং পতন হয়। প্রাইসের এই মুভমেন্ট কে অনুমান করে ট্রেডাররা মুদ্রার প্রাইস পরির্তন থেকে প্রফিট করার চেষ্ট করে থাকেন।
ফরেক্স ট্রেডিং কি?
ফরেক্স ট্রেডিং মূলত বিভিন্ন দেশের মুদ্রার ওঠা/নামার উপরে ভিত্তি করে প্রফিট করার উদ্দেশ্যে বাই/সেল করা। ফরেক্স মার্কেটের একটি সিস্টেম হলো একটি মুদ্রার প্রাইস ভ্যালু যদি বাড়ে তবে নিশ্চিত অপর মুদ্রার প্রাইস ভ্যালু কমে যাবে। প্রাইসের আপ/ডাউন কে কাজে লাগিয়ে ট্রেডাররা প্রফিট করেন। ফরেক্স মার্কেটে ট্রেডিং পেয়ার আকারে হয়। অর্থাৎ দুটি মুদ্রা একই সাথে ট্রেড করা হয়। যেমন ধরুন EUR/USD, GBP/USD ইত্যাদি।
যখন একজন ট্রেডার EURUSD পেয়ারে বাই করেন, তখন মূলত ইউরো ক্রয় করা হচ্ছে এবং সাথে সাথে ডলার সেল করা হচ্ছে। এখন যদি মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইউরো বাড়ে তবে উক্ত ট্রেডার প্রফিট পাবেন।
ফরেক্স মার্কেটের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্টঃ
- উচ্চ তারল্য (High Liquidity): ফরেক্স মার্কেট অত্যান্ত তারল্যপূর্ণ, যার অর্থ হলো প্রতিদিন প্রচুর লেনদেন হয়। যার ফলে ট্রেডাররা দ্রুত রেজাল্ট পেয়ে থাকেন।
- মার্কেট ২৪ ঘন্টা চালু (Markets 24 Hours Open): ফরেক্স মার্কেট সপ্তাহে ৫ দিন ২৪ ঘন্টাই চালু থাকে। কারণ এটি বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন টাইম জোনে অবস্থিত আর্থিক কেন্দ্রগুলির মাধ্যমে পরিচালিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, যখন নিউইয়র্ক সেশন বন্ধ হয়, তখন টোকিও সেশন শুরু হয়।
- লিভারেজ (Leverage): ফরেক্স ট্রেডাররা লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করতে পারেন। লিভারেজ নেয়ার ফলে অল্প পুজিতে বড়ো আকারের ট্রেড করা যায়। লিভারেজ যদিও প্রফিটের অনেক সম্ভাবনা তৈরি করে তবে লসের ঝুকিও একই রকম।
- দ্বিমুখী মার্কেট (Two-way Market): ফরেক্স মার্কেটের একটি বিশেষত্ব হলো, মুদ্রার দাম বাড়ুক বা কমুক উভয় ক্ষেত্রেই ট্রেডাররা প্রফিট করতে পারবেন। সোজা বাংলায় মার্কেট উঠলেও লাভ নামলেও লাভ।
ফরেক্স ট্রেডিং কিভাবে এবং কখন সূচনা হয়েছিলো?
ফরেক্স ট্রেডিং-এর আধুনিক রূপের সূচনা বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে। তবে এর শিকড় অনেক গভীরে প্রোথিত। প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ এক দেশের মুদ্রা অন্য দেশের মুদ্রার সাথে বিনিময় করে আসছে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রয়োজনে।
প্রাথমিক পর্যায়:
- প্রাচীন সভ্যতা: প্রাচীন ব্যাবিলনীয় এবং মিশরীয় সভ্যতায়ও বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময়ের প্রমাণ পাওয়া যায়।
- মধ্যযুগ: মধ্যযুগে ইউরোপে মানি চেঞ্জার বা বিনিময়কারীরা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করত, যখন বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন মুদ্রা প্রচলিত ছিল।
- স্বর্ণমান (Gold Standard): ১৯ শতকে স্বর্ণমান প্রবর্তন হয়, যেখানে প্রতিটি দেশের মুদ্রা একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ স্বর্ণের মূল্যের সাথে বাঁধা ছিল। এর ফলে মুদ্রার বিনিময় হার তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল ছিল।
আধুনিক ফরেক্স ট্রেডিং-এর সূচনা:
- ব্রেটন উডস চুক্তি (Bretton Woods Agreement – 1944): দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৪ সালে ব্রেটন উডস চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির আওতায় বেশিরভাগ দেশের মুদ্রা মার্কিন ডলারের সাথে সংযুক্ত হয় এবং মার্কিন ডলারকে স্বর্ণের সাথে বাঁধা হয় (প্রতি আউন্স স্বর্ণের মূল্য ৩৫ ডলার)। এই ব্যবস্থা মুদ্রার বিনিময় হারকে স্থিতিশীল রাখে।
- ব্রেটন উডস ব্যবস্থার পতন (1971): ১৯৭০-এর দশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্বর্ণমানের চাপ সামলাতে পারছিল না। ১৯৭১ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন ঘোষণা করেন যে মার্কিন ডলার আর স্বর্ণে রূপান্তরযোগ্য থাকবে না। এই সিদ্ধান্ত ব্রেটন উডস ব্যবস্থার পতন ঘটায় এবং ফরেক্স মার্কেটকে একটি ‘ফ্লোটিং এক্সচেঞ্জ রেট’ ব্যবস্থার দিকে ঠেলে দেয়।
- ফ্লোটিং এক্সচেঞ্জ রেট (Floating Exchange Rate): ব্রেটন উডস ব্যবস্থার পতনের পর, মুদ্রার বিনিময় হার বাজারের চাহিদা ও যোগানের উপর ভিত্তি করে ওঠানামা করতে শুরু করে। এটিই আধুনিক ফরেক্স মার্কেটের জন্ম দেয়।
- ইন্টারনেটের আগমন (1990 এর দশক): ১৯৯০-এর দশকে ইন্টারনেটের প্রসারের সাথে সাথে ফরেক্স ট্রেডিং সাধারণ মানুষের জন্য আরও সহজলভ্য হয়ে ওঠে। অনলাইন ব্রোকারদের আবির্ভাব হয়, যারা স্বতন্ত্র ট্রেডারদের ফরেক্স মার্কেটে অ্যাক্সেস দেয়।
- ২০০০ এর দশক ও বর্তমান: ২০০০ এর দশক থেকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ের জনপ্রিয়তা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। প্রযুক্তির উন্নতি, উন্নত ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম এবং তথ্যের সহজলভ্যতা এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে সক্রিয় এবং জনপ্রিয় আর্থিক বাজারে পরিণত করেছে।
কিভাবে ফরেক্স মার্কেটে লেনদেন হয়?
ফরেক্স মার্কেটে লেনদেন মূলত ইলেকট্রনিকভাবে একটি বিকেন্দ্রীভূত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে হয়। এখানে কোনো কেন্দ্রীয় এক্সচেঞ্জ বা মার্কেটপ্লেস নেই, যেমনটি স্টক মার্কেটের ক্ষেত্রে দেখা যায়। ব্যাংক, ব্রোকার, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং স্বতন্ত্র ট্রেডাররা সরাসরি একে অপরের সাথে বা ব্রোকারের মাধ্যমে ট্রেড করে।
লেনদেনের প্রক্রিয়াটি সাধারণত নিম্নোক্ত ধাপে সম্পন্ন হয়:
- মুদ্রা জোড় নির্বাচন (Currency Pair Selection): ট্রেডাররা কোন মুদ্রা জোড়ে ট্রেড করতে চায় তা নির্বাচন করে। যেমন, EUR/USD, GBP/JPY ইত্যাদি। প্রতিটি জোড়ে প্রথম মুদ্রাকে ‘বেস কারেন্সি’ এবং দ্বিতীয় মুদ্রাকে ‘কোটেড কারেন্সি’ বলা হয়।
- বিড এবং আস্ক প্রাইস (Bid and Ask Price): প্রতিটি মুদ্রা জোড়ের দুটি মূল্য থাকে:
- বিড প্রাইস (Bid Price): এটি সেই মূল্য যে দামে একজন ব্রোকার বেস কারেন্সি কিনতে ইচ্ছুক (অর্থাৎ আপনি কোটেড কারেন্সির বিনিময়ে বেস কারেন্সি বিক্রি করতে পারবেন)।
- আস্ক প্রাইস (Ask Price): এটি সেই মূল্য যে দামে একজন ব্রোকার বেস কারেন্সি বিক্রি করতে ইচ্ছুক (অর্থাৎ আপনি বেস কারেন্সি কিনতে পারবেন কোটেড কারেন্সির বিনিময়ে)।
- বিড এবং আস্ক প্রাইসের মধ্যে পার্থক্যকে ‘স্প্রেড’ বলা হয়, যা ব্রোকারের লাভ।
- অর্ডার প্লেস করা (Placing an Order): ট্রেডাররা তাদের নির্বাচিত মুদ্রা জোড়ে একটি অর্ডার প্লেস করে। সাধারণত দুই ধরনের অর্ডার প্রচলিত:
- মার্কেট অর্ডার (Market Order): এটি বর্তমান বাজার মূল্যে অবিলম্বে একটি ট্রেড এক্সিকিউট করে।
- লিমিট অর্ডার (Limit Order): এটি একটি নির্দিষ্ট মূল্যে পৌঁছালে ট্রেড এক্সিকিউট করে। ট্রেডাররা লাভ নিশ্চিত করতে ‘টেক প্রফিট’ এবং ক্ষতি সীমিত করতে ‘স্টপ লস’ অর্ডারও ব্যবহার করে।
- এক্সিকিউশন (Execution): যখন একটি অর্ডার প্লেস করা হয়, তখন ব্রোকার তার তারল্য সরবরাহকারীদের (যেমন বড় ব্যাংক) নেটওয়ার্কে সেই অর্ডারটি পাঠায়। একটি উপযুক্ত বিড বা আস্ক প্রাইস খুঁজে পেলে ট্রেডটি এক্সিকিউট হয়।
- হোল্ডিং এবং ক্লোজিং (Holding and Closing): ট্রেডাররা তাদের পজিশন ধরে রাখে যতক্ষণ না তাদের লাভের লক্ষ্য অর্জিত হয় বা স্টপ লস ট্রিগার হয়। যখন তারা ট্রেড বন্ধ করতে চায়, তখন তারা বিপরীত পজিশন নেয় (অর্থাৎ, যদি তারা EUR/USD কিনে থাকে, তাহলে তারা EUR/USD বিক্রি করে)।
রিটেইল ফরেক্স এবং ইনস্টিটিউশনাল ট্রেডিং এর মধ্যে পার্থক্য কি কি?
ফরেক্স ট্রেডিং-এ মূলত দুই ধরনের অংশগ্রহণকারী রয়েছে: রিটেইল ট্রেডার এবং ইনস্টিটিউশনাল ট্রেডার। এদের ট্রেডিং পদ্ধতি, স্কেল এবং সক্ষমতার মধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে।
| বৈশিষ্ট্য | রিটেইল ফরেক্স ট্রেডিং | ইনস্টিটিউশনাল ট্রেডিং |
| অংশগ্রহণকারী | স্বতন্ত্র ব্যক্তি, ছোট বিনিয়োগকারী। | বড় ব্যাংক (যেমন Deutsche Bank, JP Morgan), হেজ ফান্ড, কর্পোরেশন, সম্পদ ব্যবস্থাপনা সংস্থা। |
| পুঁজি/বিনিয়োগের পরিমাণ | তুলনামূলকভাবে ছোট (যেমন কয়েকশ থেকে কয়েক হাজার ডলার)। | বিশাল পরিমাণ (যেমন মিলিয়ন থেকে বিলিয়ন ডলার)। |
| উদ্দেশ্য | ব্যক্তিগত লাভ, সম্পদ বৃদ্ধি। | লাভ, মুদ্রার ঝুঁকি হেজ করা (hedging), ক্লায়েন্টের তহবিল পরিচালনা, আন্তর্জাতিক লেনদেনের সুবিধা। |
| অ্যাক্সেস/প্ল্যাটফর্ম | অনলাইন রিটেইল ব্রোকারদের (যেমন MetaTrader 4/5) মাধ্যমে অ্যাক্সেস পায়। সহজলভ্য প্ল্যাটফর্ম। | সরাসরি ইন্টারব্যাংক মার্কেটে (Interbank Market) অ্যাক্সেস, প্রাইম ব্রোকারদের সাথে সম্পর্ক, নিজস্ব উন্নত ট্রেডিং প্রযুক্তি। |
| লিভারেজ | উচ্চ লিভারেজ (৫০:১ থেকে ৫০০:১ বা তার বেশি) ব্রোকারদের দ্বারা প্রদান করা হয়। | তুলনামূলকভাবে কম লিভারেজ, কারণ তাদের পুঁজি এমনিতেই অনেক বেশি। |
| ট্রান্সঅ্যাকশন কস্ট | স্প্রেড (Bid/Ask প্রাইসের পার্থক্য) এবং কিছু ক্ষেত্রে কমিশন। | টাইট স্প্রেড (খুব কম পার্থক্য), মাঝে মাঝে ফিক্সড ফি বা কমিশন। |
| বাজারের প্রভাব | বাজারের উপর কোনো উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে না। | তাদের ট্রেড বাজারের মূল্যে তাৎক্ষণিক এবং বড় প্রভাব ফেলতে পারে। |
| তথ্য ও গবেষণা | নিজস্ব গবেষণা, অনলাইন বিশ্লেষণ, ব্রোকারদের প্রদত্ত তথ্য। | উন্নত গবেষণা দল, অর্থনৈতিক মডেলিং, দ্রুত ডেটা অ্যাক্সেস। |
| ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা | স্বতন্ত্র ট্রেডারদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং অভিজ্ঞতার উপর নির্ভরশীল। | সুনির্দিষ্ট ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা দল এবং কৌশল, অত্যাধুনিক সফটওয়্যার ব্যবহার। |
| প্রযুক্তি | অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এবং মোবাইল অ্যাপ। | উচ্চ-গতির ট্রেডিং সিস্টেম, অ্যালগরিদমিক ট্রেডিং, ফিজিক্যাল সার্ভার সহ উন্নত অবকাঠামো। |
সংক্ষেপে, রিটেইল ফরেক্স ট্রেডিং হলো সাধারণ মানুষের জন্য ফরেক্স মার্কেটে অংশ নেওয়ার একটি উপায়, যেখানে পুঁজি এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা তুলনামূলকভাবে সীমিত। অন্যদিকে, ইনস্টিটিউশনাল ট্রেডিং হলো পেশাদার আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলির মাধ্যমে পরিচালিত বিশাল আকারের লেনদেন, যা বাজারের গতিবিধিকে প্রভাবিত করার ক্ষমতা রাখে এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীল।
ফরেক্স মার্কেট সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা দেয়ার চেষ্টা করেছি। আশা করছি সঠিক ধারণা গ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছেন। আপনার অভিজ্ঞতা আমাদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। কমেন্ট বক্স আপনার জন্য উন্মুক্ত। শেয়ার করে অন্যকে শেখার সুযোগ করে দিন।
আপনি কি ফরেক্স মার্কেটে নতুন? অথবা আপনি কি ফরেক্স মার্কেটে লুজার হচ্ছেন? তাহলে আমাদের এডুকেশন গ্রহণ করতে পারেন। আমাদের কোর্স গুলো ভিজিট করুন। কোর্স লিংক – FX Prime Academy Course