Author name: admin

Avatar photo
copy trading in bangladesh
Forex Trading, Business

Copy Trading কী? Social Trading কীভাবে কাজ করে | সম্পূর্ণ গাইড ২০২৬

ডিজিটাল ফাইন্যান্স ও অনলাইন ট্রেডিংয়ের দ্রুত অগ্রগতির ফলে বিনিয়োগ জগতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে, যার নাম কপি ট্রেডিং (Copy Trading) ও সোশ্যাল ট্রেডিং (Social Trading)। বর্তমানে ফরেক্স, ক্রিপ্টোকারেন্সি, স্টক ও কমোডিটি মার্কেটে এই পদ্ধতিগুলো ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বিশেষ করে নতুন বিনিয়োগকারী ও পার্ট-টাইম ট্রেডারদের জন্য এটি একটি সহজ ও কার্যকর সমাধান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই আর্টিকেলে আমরা জানবো, কপি ট্রেডিং ও সোশ্যাল ট্রেডিং কী, এর ইতিহাস ও উৎপত্তি, কীভাবে এটি কাজ করে, ট্রেডার ও বিনিয়োগকারী উভয়ের আয়ের সুযোগ, এবং সর্বশেষে কপি ট্রেডিং থেকে ক্যারিয়ার গড়ার বাস্তব সম্ভাবনা। কপি ট্রেডিং (Copy Trading) কি? কপি ট্রেডিং হলো এমন একটি ট্রেডিং পদ্ধতি যেখানে একজন বিনিয়োগকারী (Follower) স্বয়ংক্রিয়ভাবে একজন অভিজ্ঞ ট্রেডারের (Master Trader বা Signal Provider) ট্রেড কপি করে। মাস্টার ট্রেডার যে সময় যে ট্রেড ওপেন বা ক্লোজ করে, ঠিক একই ট্রেড অনুপাতে বিনিয়োগকারীর অ্যাকাউন্টে এক্সিকিউট হয়ে যায়। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, আপনি নিজে ট্রেড না করেও, একজন দক্ষ ট্রেডারের ট্রেড কপি করে লাভ বা ক্ষতির অংশীদার হন। সোশ্যাল ট্রেডিং কী? সোশ্যাল ট্রেডিং হলো একটি বিস্তৃত ধারণা যেখানে ট্রেডাররা একটি সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে নিজেদের ট্রেডিং আইডিয়া, স্ট্র্যাটেজি, পারফরম্যান্স ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করে। অন্যরা সেই ট্রেড নিজের মতো করে এনালাইসিস করতে পারে, আলোচনা করতে পারে এবং চাইলে কপি ট্রেডিংয়ের মাধ্যমে অনুসরণও করতে পারে। অর্থাৎ, কপি ট্রেডিং হলো সোশ্যাল ট্রেডিংয়ের একটি অংশ। কপি ট্রেডিং ও সোশ্যাল ট্রেডিংয়ের উৎপত্তি ও ইতিহাস কবে ও কিভাবে এর সূচনা হয়? কে বা কার মাধ্যমে এটি আবিষ্কার হয়? কপি ট্রেডিং কোনো একক ব্যক্তির আবিষ্কার নয়। এটি মূলত: এই তিনটির সমন্বয়ে তৈরি একটি আধুনিক ফাইন্যান্সিয়াল ইনোভেশন। তবে eToro-কে এই ধারণার পথিকৃৎ বলা হয়। কপি ট্রেডিং কীভাবে কাজ করে? একজন ট্রেডার কীভাবে কপি ট্রেডিংয়ের মাধ্যমে আয় করতে পারে? একজন দক্ষ ট্রেডারের জন্য কপি ট্রেডিং একটি শক্তিশালী আয়ের উৎস হতে পারে। আয়ের প্রধান উপায়: কী লাগবে সফল হতে? একজন বিনিয়োগকারী কীভাবে কপি ট্রেডিং থেকে আয় করতে পারে? যারা নিজে ট্রেডিং শিখতে সময় বা অভিজ্ঞতায় পিছিয়ে, তাদের জন্য কপি ট্রেডিং কার্যকর। তবে কাউকে কপি দেয়ার পূর্বে অবশ্যই যাচাই করা আবশ্যক। বিনিয়োগকারীর সুবিধা: ঝুঁকি কী? তাই ট্রেডার বাছাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কপি ট্রেডিং থেকে ক্যারিয়ার গড়ার সম্ভাবনা কতটা? বর্তমান সময়ে কপি ট্রেডিং একটি ফুল-টাইম ক্যারিয়ার হিসেবে গড়ে উঠছে। আপনার যদি যথেষ্ট বিনিয়োগ না থাকে তবে স্বপ্ল বিনিয়োগের মাধ্যমে মাষ্টার ট্রেডার হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন। ক্যারিয়ার সম্ভাবনা: বাস্তবতা: ✔ সম্ভব, কিন্তু সহজ নয় ✔ দীর্ঘমেয়াদি ডিসিপ্লিন দরকার ✔ ট্র্যাক রেকর্ডই মূল সম্পদ কপি ট্রেডিং কি সবার জন্য উপযুক্ত? ক্যাটাগরি উপযুক্ততা নতুন বিনিয়োগকারী ✔ হ্যাঁ পার্ট-টাইম ট্রেডার ✔ হ্যাঁ লং-টার্ম ইনভেস্টর ✔ সীমিত উচ্চ ঝুঁকি অপছন্দকারী ❌ সতর্ক কপি ট্রেডিং ও সোশ্যাল ট্রেডিং আধুনিক বিনিয়োগ জগতের একটি শক্তিশালী উদ্ভাবন। সঠিক জ্ঞান, ট্রেডার নির্বাচন ও রিস্ক ম্যানেজমেন্ট থাকলে এটি আয়ের পাশাপাশি একটি দীর্ঘমেয়াদি ক্যারিয়ার হিসেবেও গড়ে তোলা সম্ভব। তবে মনে রাখতে হবে, এটি কোনো ম্যাজিক নয়, বরং একটি স্কিল ও ডিসিপ্লিন নির্ভর সিস্টেম। কপি ট্রেডিং ক্যারিয়ার শুরু করার জন্য অনেক প্লাটফর্ম রয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন ফরেক্স ব্রোকার কপি ট্রেডিং সিস্টেম প্রোবাইড করে। যেমন Tickmill, Icmarkets এছাড়া স্বতন্ত্র কিছু প্লাটফর্ম রয়েছে যেখানে আপনি চাইলে মাষ্টার ট্রেডার হিসেবে যুক্ত হতে পারবেন। যেমন eTro, Mql5, zulutrade অন্যতম। আশা করি আজকের আর্টিকেল আপনার জন্য একটি দিকনির্ধেশক হবে। কারন আপনি চাইলে এখন একটি স্মার্ট ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন। ধন্যবাদ

Trading Psychology
Forex Trading, Business, Education

ট্রেডিংয়ে লুজার হওয়ার ১০টি মারাত্মক ভুলঃ একজন ট্রেডার কেন বার বার লুজার হয়?

বর্তমান সময়ে ফরেক্স, ক্রিপ্টো কিংবা স্টক মার্কেটে ট্রেড করে দ্রুত টাকা ইনকামে স্বপ্ন দেখেন অনেকেই। কিন্তু বাস্তবে কি সবাই দ্রুত ইনকাম করতে সক্ষম হচ্ছে? আমরা সবাই জানি বাস্তবতা আসলে কি! বাস্তবতা হলো প্রায় ৯৫% ট্রেডার নিয়মিত লুজার এই মার্কেটে। এখন একটি প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক যে, এই ৯৫% ট্রেডারের লসের জন্য প্রকৃতপক্ষে মার্কেটের কোন ভূমিকা আছে নাকি ট্রেডার নিজের ভুলেই লুজার হচ্চেন? এই আর্টিকেলে আমরা বিস্তারিত আলোচনা কপ্রবো, একজন ট্রেডার ট্রেডিং করার সময় কি কি ভুল গুলো করেন এবং সে ভুলের জন্য তিনি লুজারে পরিণত হচ্ছেন। এই ভুল গুলো চিহ্নিত করার মাধ্যমে আমরা নিজেরা সংশোধিত হয়ে প্রফিটেবল ট্রেড করবো। ট্রেডিং প্লান ছাড়াই ট্রেড করা একজন ট্রেডার সবচাইতে যেটি বড়ো ভুল করেন সেটি হলো কোন প্রকার ট্রেডিং প্লান ছাড়াই ট্রেডিং শুরু করা। ট্রেড শুরু করার পূর্বে আমাদের একটি ট্রেডিং প্লান সাজাতে হবে। এই ট্রেডিং প্লান হতে পারে মাসিক, সাপ্তাহিক এবং দৈনিক। এছাড়া ট্রেডিং এক্টিভিটিস এর জন্য ও আমাদের একটি ট্রেডিং প্লান সাজাতে হবে। যেমন আপনি যদি উক্ত পয়েন্ট গুলিকে ইগনোর করেন তবে আপনি ট্রেডিং করছেন না। আপনি যেটা করতেছেন সেইটা হলো গেম্বলিং। আবেগ দ্বারা ট্রেড করা (Emotional Trading) একজন ট্রেডারের জন্য তিনটা ভাইরাস খুবই মারাত্বক। যেমন ভয় (Fear), লোভ (Greed) এবং রাগ (Revenge Trading) – এই তিনটি ভাইরাস যা আবেগ কে সংক্রমণ করে এবং তার প্রভাব ট্রেডিংয়ে পড়ে। ট্রেড করার সময় আমরা ভুলে যাই আমাদের নিজের সাথে কি কি কমিটমেন্ট ছিলো। আমরা ভুলে যাই আমি কি কি রুলস মেনে ট্রেডিং করবো। যার জন্য আমরা কিছু ভুল করে ফেলি। যেমন এইসব ভাইরাস একজন ট্রেডারকে শুধু লুজার করে ক্ষ্যান্ত হয় না বরং একজন ট্রেডারকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। স্টপলস ইউজ না করা অনেক ট্রেডার মনে করেন, ট্রেডিং করার সময় স্টপলস দেয়ার কোন দরকার নেই। কারন “মার্কেট ঘুরে আসবেই” কিন্তু বাস্তবে স্টপলস কে গুরুত্ব না দেয়া মানে মুহুওর্তেই নিজের পুরো একাউন্ট উড়িয়ে দেয়া। মনে রাখবেন “স্টপলস সবসময় একজন ট্রেডারের বন্ধু, বন্ধুকে নিজের থেকে দূরে রাখবেন না।” ওভার ট্রেডিং করা ধরুন আপনি একদিন ১০/১৫টি বা তার অধিক ট্রেড নিলে এবং সব এন্ট্রি থেকে প্রফিট পাইলেন। এটার অর্থ এই নয় যে, আপনি প্রফেশনাল ট্রেডার হয়ে গেছেন। কিছু এমন রুলস আছে যা মূলত সাইকোলজিক্যাল। এসব ভুল অনেকেই ভুল হিসেবে মানতে নারাজ। তবে কিছু বিষয় মনে রাখবেন একজন প্রফেশনাল ট্রেডার সুযোগের অপেক্ষায় থাকেন। প্রফেশনাল ট্রেডাররা কম কিন্তু কোয়ালিটি ট্রেড করেন। স্বাভাবিক এর চেয়ে বড়ো লট সাইজ ব্যবহার করা মানি ম্যানেজমেন্ট, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট এই দুটি শব্দ শুধু শব্দ নয়। এই দুটি শব্দ হলো একজন ট্রেডারের উপরে ওঠার সিড়ি। ক্যাপিটাল অনুযায়ী মুহুর্তেই ব্যালেন্স উড়ে যেতে পারে। কারন একটি বড়ো লট সাইজ ছোট মুভমেন্টের জন্য বড়ো লস করিয়ে দিতে পারে। যদি এমনটি হয় তবে এতে করে মানুষিক চাপ অত্যাধিক বেড়ে যায়। তখন একজন ট্রেডার আরো বেশি এগ্রেসিভ আচারণ করতে শুরু করে। লট আরো বাড়িয়ে দিতে পারে, সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট চিহ্নিত না করেও এন্ট্রি প্লেস করতে পারে। আরো অধিক লস হলে সে আরো এগ্রেসিভ হবে এবং একসময় সব হারিয়ে শান্ত হবে। তাই আমাদের অবশ্যই ক্যাপিটাল অনুযায়ী ১-২% রিস্ক নিয়ে ট্রেড করতে হবে। এটা ট্রেডিংয়ের জন্য নিরাপদ এবং ট্রেডারের জন্য মানুষিক প্রশান্তির কারন হতে পারে। মার্কেট সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান না থাকা অনেকেই মনে করে থাকেন যে, ইউটিউব দেখে এবং কিছু সিগন্যাল ফলো করে অনেক কিছু করা সম্ভব। কিন্তু আপনি কখনোই এই পন্থায় দীর্ঘমেয়াদে প্রফিটেবল হতে পারবেন না। একজন সফল ট্রেডার হতে হলে আপনাকে ভালো এডুকেশন নিতে হবে। কিছু বিষয় প্রপার শিখতে হবে। যেমন যদি আপনি নিশ্চিত থাকেন যে উল্লিখিত বিষয় গুলো সবই আপনি প্রপার জানেন তবে আপনি অবশ্যই সাকসেসফুল ট্রেডার হতে পারবেন। ট্রেডিং জার্নাল না রাখা আপনি যদি আত্মসমালোচনা না করেন তবে আপনি নিশ্চিত থাকুন যে আপনি উন্নতি করতে পারবেন না। সেইজন্য আপনি অবশ্যই একটি জার্নাল বানাবেন। এসব বিষয় যদি আপনি লিখে রাখেন তভে আপনি ধীরে ধীরে প্রফেশনাল হয়ে উঠবেন একাউন্ট দ্রুত বড় করার লোভ আমাদের এই রিজিওনে অধিকাংশ ট্রেডারেরই একটি কমোন সমস্যা হলো দ্রুত ফান্ড বড়ো করার প্রবনতা। আমরা চাই মার্কেট থেকে যতো দ্রুত সম্ভব এবং যতো বেশি সম্ভব প্রফিট করে দ্রুত ফান্ড বৃদ্ধি করতে। মনে রাখবেন এই মানুষিক প্রবনতা আপনার মধ্যে থাকলে আপনি সারা জীবনেও প্রফিটেবল হতে পারবেন না। এই মার্কেটে সফল হতে চাইলে যেকোন উপায়ে টার্গেট হিট করাটা গুরুত্বপূর্ণ, দ্রুত টার্গেট হিট করাটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। ট্রেডিং হলো Marathon, Sprint নয়। অন্যের কপি ট্রেড বা সিগন্যালের উপর নির্ভরতা একটি সময় ট্রেডিং সিগন্যাল নিয়ে সবারই বেশ মাতামাতি ছিলো। সম্প্রতি এর হার কিছুটা কমেছে। কারন ১০০% মানুষই সিগন্যাল দ্বারা লুজার হয়েছে। সিগন্যালে সমস্যা হলো, অন্যের স্ট্রাটেজি, অন্যের সাইকোলজি আপনার জন্য কাজ করবে তার কোন নিশ্চিত গ্যারান্টি নেই। সফলতা লুকিয়ে আছে মূলত এসব বিষয় যদি আপনি ফোকাস করতে পারেন তবে আপনার সফলতা আপনাকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে। ধৈর্যের অভাব ট্রেডিং মার্কেটে ট্রেড করার জন্য সবচেয়ে বড়ো অস্ত্র হলো ধৈর্য। ট্রেডিং মার্কেটে এমন রেকর্ড নেই যে কেউ ধৈর্য ধারন করে ট্রেড করেনি আর সে সফল হয়েছে। এর প্রমান আপনি নিজেই। তাই আমরা অবশ্যই ধৈর্য ধারন করে ট্রেডিং করব। এখন প্রশ্ন হলো কোন কোন ক্ষেত্রে ধৈর্য ধরতে হবে? এই বিষয়গুলো যদি ফলো করতে পারেন তবে আপনি সাকসেসফুল ট্রেডার হবেন এটা আশা করা যায়। যারা ধৈর্য ধরতে পারে না, তারাই শেষ পর্যন্ত লুজার হয়। সর্বোপরি আমি বলতে চাই, ট্রেডিংয়ে লুজার হওয়ার মূল কারণ মার্কেট নয়, নিজের ভুল সিদ্ধান্ত ও ডিসিপ্লিনের অভাব। আপনি যদি:✔ ট্রেডিং প্ল্যান মেনে চলেন✔ রিস্ক ম্যানেজমেন্ট করেন✔ আবেগ নিয়ন্ত্রণ করেন তাহলে আপনিও ধীরে ধীরে একজন Consistent Profitable Trader হতে পারবেন।

Life Story

📰 Edward D. Jones Biography – Founder of Edward Jones & Icon of American Finance

Edward D. Jones ছিলেন একজন প্রভাবশালী আমেরিকান বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী, এবং আর্থিক সেবা খাতের একজন পথপ্রদর্শক। তিনি প্রতিষ্ঠা করেন বিশ্বখ্যাত ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান Edward Jones, যা আজ বিশ্বের অন্যতম সফল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস নেটওয়ার্ক। তাঁর দূরদর্শী চিন্তা, গ্রাহককেন্দ্রিক ব্যবসায়িক নীতি এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের দর্শন আজও ফাইন্যান্স ইন্ডাস্ট্রিতে অনুসরণীয় মডেল হিসেবে বিবেচিত। এই আর্টিকেলে আমরা Edward D. Jones-এর জীবন, কর্মজীবন, প্রতিষ্ঠানের যাত্রা এবং তাঁর ব্যবসায়িক দর্শন বিস্তারিত তুলে ধরব। Who Was Edward D. Jones? Edward David Jones Sr. (জন্ম: 29 জুলাই 1893 – মৃত্যু: 10 অক্টোবর 1982) ছিলেন একজন আমেরিকান উদ্যোক্তা এবং বিনিয়োগ বিশেষজ্ঞ। তাঁর প্রতিষ্ঠিত কোম্পানি “Edward Jones” আজ যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহৎ এবং বিশ্বস্ত বিনিয়োগ সংস্থা। Early Life & Education Edward D. Jones যুক্তরাষ্ট্রের St. Louis, Missouri–তে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশব থেকেই ব্যবসা এবং সংখ্যার প্রতি তাঁর আগ্রহ ছিল। পরে তিনি New York University-তে ফাইন্যান্স এবং ব্যবসা প্রশাসন নিয়ে অধ্যয়ন করেন।প্রাথমিক শিক্ষা এবং প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান তাঁর ব্যবসায়িক দৃষ্টিভঙ্গিকে আরও সমৃদ্ধ করে। Career Beginnings ফাইন্যান্সে ডিগ্রি সম্পন্ন করার পর Edward Jones বিভিন্ন ওয়াল স্ট্রিট কোম্পানিতে কাজ করেন।তিনি যখন লক্ষ করেন✔ বেশিরভাগ ব্রোকারেজ হাউস সাধারণ মানুষের নাগালে নয়✔ ছোট বিনিয়োগকারী বা মধ্যবিত্তরা সঠিক পরামর্শ পায় না✔ Wealth Management সেবাগুলো শুধু বড় বিনিয়োগকারীর দিকে ঝুঁকে আছে তখনই তাঁর মাথায় আসে নিজস্ব একটি গ্রাহকবান্ধব ব্রোকারেজ ফার্ম প্রতিষ্ঠার ধারণা। Founding of Edward Jones (1922) 1922 সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন Edward Jones & Co.প্রতিষ্ঠা করার সময় তাঁর লক্ষ্য ছিল👉 সাধারণ মানুষকে বিনিয়োগ শেখানো👉 Door-to-door ভিত্তিতে Relationship-based Financial Advisory সেবা দেওয়া👉 জটিল বিনিয়োগকে সহজ করে উপস্থাপন করা এমন ফোকাসড ও গ্রাহককেন্দ্রিক ব্যবসায়িক মডেলে বিনিয়োগকারীর আস্থা দ্রুত অর্জিত হয়। Business Philosophy: “Long-Term, Client-First Approach Edward D. Jones-এর ব্যবসায়িক সাফল্যের মূল ছিল তাঁর পাঁচটি নীতি 1️⃣ Long-Term Investment Strategy তিনি বিশ্বাস করতেন দীর্ঘমেয়াদি, স্থিতিশীল বিনিয়োগই গ্রাহকের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। 2️⃣ One-on-One Client Service প্রতিটি গ্রাহকের জন্য আলাদা অ্যাডভাইজার → ব্যক্তিগত গাইডলাইন → বিশ্বাস তৈরি 3️⃣ Community-Based Offices বড় কর্পোরেট বিল্ডিংয়ের পরিবর্তে ছোট স্থানীয় অফিস, যেখানে গ্রাহক সহজেই অ্যাডভাইজরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে। 4️⃣ Simplified Investment Education Edward Jones সাধারণ মানুষকে সহজ ভাষায় বাজার বুঝিয়ে বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নিতে উৎসাহিত করতেন। 5️⃣ Ethical & Transparent Business Policy স্বচ্ছতা, সততা এবং নৈতিক ব্যবসাকে তিনি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতেন। Growth of Edward Jones Company Edward Jones-এর মৃত্যু পরবর্তী সময়েও তাঁর কোম্পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেতে থাকে। আজ ✔ যুক্তরাষ্ট্রে 15,000+ ফিনান্সিয়াল অ্যাডভাইজর✔ 19,000+ branch অফিস✔ 8+ মিলিয়ন ক্লায়েন্ট✔ ট্রিলিয়ন ডলারের Assets under management (AUM) Edward Jones ব্রোকারেজ হাউস এখন বিশ্বের সবচেয়ে সফল এবং লাভজনক ফিন্যান্সিয়াল নেটওয়ার্কগুলোর একটি। Edward D. Jones Jr. এর অবদান Edward Jones-এর ছেলে Edward D. “Ted” Jones Jr. পরবর্তীতে কোম্পানির নেতৃত্ব নেন এবং স্থানীয় নেটওয়ার্ক মডেলকে জাতীয় পর্যায়ে সম্প্রসারিত করেন।পিতা–পুত্র মিলে একটি শক্তিশালী আর্থিক সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন। Legacy of Edward D. Jones Edward D. Jones শুধুই একজন উদ্যোক্তা ছিলেন নাতিনি ছিলেন “Financial Advisor Model”-এর স্থপতি। His legacy stands on:✔ Honest Business✔ Long-term Planning✔ Client-first approach✔ Mass financial literacy✔ Relationship-based advisory model আজও Edward Jones-এর নীতি অনুসরণ করে বহু ব্রোকারেজ ফার্ম এবং অ্যাডভাইজর কাজ করে। Edward D. Jones ছিলেন এমন একজন ব্যবসায়ী যিনি সাধারণ মানুষের জন্য বিনিয়োগকে সহজ করে উপস্থাপন করেছিলেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত কোম্পানি আজও প্রমাণ করে—সততা, সরলতা এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা একটি ব্যবসাকে টিকে থাকতে সাহায্য করে।ফাইন্যান্স ইন্ডাস্ট্রিতে তিনি ছিলেন সত্যিকার অর্থেই একজন কিংবদন্তি।

Forex Trading

Forex Market Explained: Your Comprehensive Guide to Forex Trading in Bangladesh

ফরেক্স মার্কেট সম্পর্কে আমরা অনেকেই বেশ কৌতহলি। বর্তমান তথ্য ও প্রযুক্তির বদৌলতে “ফরেক্স” শব্দের সাথে অনেক মানুষ পরিচিত। এই আর্টিকেলে আমরা ফরেক্স সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো। ফরেক্স মার্কেট বা ফরেন এক্সচেঞ্জ মার্কেট উভয় নামই তার জন্য সঠিক। ফরেক্স মার্কেট হলো বিশ্বের সবচাইতে বড়ো ফাইন্যান্সিয়াল মার্কেট প্লেস। এই মার্কেটে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুদ্রার এক্সচেঞ্জ বা বিনিময় হয়। একটি মজার বেপার হলো অন্যান্য ফাইন্যান্স মার্কেটের মতো এই মার্কেটের নির্দিষ্ট কোন সেন্ট্রাল বা কেন্দ্র নেই। ফরেক্স মার্কেট কে নির্দিষ্ট কেউ পরিচালনা করে না। বরং ফরেক্স মার্কেট ব্যাংক, ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউট এবং স্বতন্ত্র ট্রেডারদের একটি বৈশ্বিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। ফরেক্স মার্কেট কি? ফরেক্স মার্কেট মূলত একটি এক্সচেঞ্জ মার্কেট। এই মার্কেট ডি-সেন্ট্রালাইজড, মানে যার কোন নিয়ন্ত্রণ এরিয়া এবং নিয়ন্ত্রক নেই। ফরেক্স মার্কেটে একটি দেশের মুদ্রার বিপরীতে অন্য দেশের মুদ্রায় ট্রেড করা হয়। ফরেক্স মার্কেটের মূল উদ্দেশ্য হলো আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য এবং বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের সুবিধা প্রদান করা। উদাহরণ হিসেবে বলতে পারি যেমন, এক দেশ অন্য দেশ এর সাথে পন্য ও সেবা আমদানি/রপ্তানি করে তখন তাদের মধ্যে উভয় দেশের মুদ্রার বিনিময় করতে হয়। এই বিনিময় প্রক্রিয়া মূলত ফরেক্স মার্কেটের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়ে থাকে। যেমন ধরুন একজন মার্কিন ব্যবসায়ী ইউরোপ থেকে কোন পন্য ও সেবা আমদানী করেন, তখন তাকে পেমেন্ট করার জন্য ইউরো ব্যবহার করতে হয়। ব্যবসায়ী যেহেতু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেহেতু তার নিকট মার্কিন ডলার থাকবে এটাই স্বাভাবিক। ইউরো পেমেন্ট করার জন্য উক্ত ব্যবসায়ীর নিকট থাকা মার্কিন ডলার ইউরোতে এক্সচেঞ্জ করা বাধ্যতামূলক। এইসব লেনদেন ছাড়াও আরো অনেক খাত আছে যার লেনদেনের প্রভাব ফরেক্স মার্কেটে পড়ে। এই প্রভাবের কারনে মার্কেট উত্থান এবং পতন হয়। প্রাইসের এই মুভমেন্ট কে অনুমান করে ট্রেডাররা মুদ্রার প্রাইস পরির্তন থেকে প্রফিট করার চেষ্ট করে থাকেন। ফরেক্স ট্রেডিং কি? ফরেক্স ট্রেডিং মূলত বিভিন্ন দেশের মুদ্রার ওঠা/নামার উপরে ভিত্তি করে প্রফিট করার উদ্দেশ্যে বাই/সেল করা। ফরেক্স মার্কেটের একটি সিস্টেম হলো একটি মুদ্রার প্রাইস ভ্যালু যদি বাড়ে তবে নিশ্চিত অপর মুদ্রার প্রাইস ভ্যালু কমে যাবে। প্রাইসের আপ/ডাউন কে কাজে লাগিয়ে ট্রেডাররা প্রফিট করেন। ফরেক্স মার্কেটে ট্রেডিং পেয়ার আকারে হয়। অর্থাৎ দুটি মুদ্রা একই সাথে ট্রেড করা হয়। যেমন ধরুন EUR/USD, GBP/USD ইত্যাদি। যখন একজন ট্রেডার EURUSD পেয়ারে বাই করেন, তখন মূলত ইউরো ক্রয় করা হচ্ছে এবং সাথে সাথে ডলার সেল করা হচ্ছে। এখন যদি মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইউরো বাড়ে তবে উক্ত ট্রেডার প্রফিট পাবেন। ফরেক্স মার্কেটের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্টঃ ফরেক্স ট্রেডিং কিভাবে এবং কখন সূচনা হয়েছিলো? ফরেক্স ট্রেডিং-এর আধুনিক রূপের সূচনা বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে। তবে এর শিকড় অনেক গভীরে প্রোথিত। প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ এক দেশের মুদ্রা অন্য দেশের মুদ্রার সাথে বিনিময় করে আসছে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রয়োজনে। প্রাথমিক পর্যায়: আধুনিক ফরেক্স ট্রেডিং-এর সূচনা: কিভাবে ফরেক্স মার্কেটে লেনদেন হয়? ফরেক্স মার্কেটে লেনদেন মূলত ইলেকট্রনিকভাবে একটি বিকেন্দ্রীভূত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে হয়। এখানে কোনো কেন্দ্রীয় এক্সচেঞ্জ বা মার্কেটপ্লেস নেই, যেমনটি স্টক মার্কেটের ক্ষেত্রে দেখা যায়। ব্যাংক, ব্রোকার, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং স্বতন্ত্র ট্রেডাররা সরাসরি একে অপরের সাথে বা ব্রোকারের মাধ্যমে ট্রেড করে। লেনদেনের প্রক্রিয়াটি সাধারণত নিম্নোক্ত ধাপে সম্পন্ন হয়: রিটেইল ফরেক্স এবং ইনস্টিটিউশনাল ট্রেডিং এর মধ্যে পার্থক্য কি কি? ফরেক্স ট্রেডিং-এ মূলত দুই ধরনের অংশগ্রহণকারী রয়েছে: রিটেইল ট্রেডার এবং ইনস্টিটিউশনাল ট্রেডার। এদের ট্রেডিং পদ্ধতি, স্কেল এবং সক্ষমতার মধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। বৈশিষ্ট্য রিটেইল ফরেক্স ট্রেডিং ইনস্টিটিউশনাল ট্রেডিং অংশগ্রহণকারী স্বতন্ত্র ব্যক্তি, ছোট বিনিয়োগকারী। বড় ব্যাংক (যেমন Deutsche Bank, JP Morgan), হেজ ফান্ড, কর্পোরেশন, সম্পদ ব্যবস্থাপনা সংস্থা। পুঁজি/বিনিয়োগের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে ছোট (যেমন কয়েকশ থেকে কয়েক হাজার ডলার)। বিশাল পরিমাণ (যেমন মিলিয়ন থেকে বিলিয়ন ডলার)। উদ্দেশ্য ব্যক্তিগত লাভ, সম্পদ বৃদ্ধি। লাভ, মুদ্রার ঝুঁকি হেজ করা (hedging), ক্লায়েন্টের তহবিল পরিচালনা, আন্তর্জাতিক লেনদেনের সুবিধা। অ্যাক্সেস/প্ল্যাটফর্ম অনলাইন রিটেইল ব্রোকারদের (যেমন MetaTrader 4/5) মাধ্যমে অ্যাক্সেস পায়। সহজলভ্য প্ল্যাটফর্ম। সরাসরি ইন্টারব্যাংক মার্কেটে (Interbank Market) অ্যাক্সেস, প্রাইম ব্রোকারদের সাথে সম্পর্ক, নিজস্ব উন্নত ট্রেডিং প্রযুক্তি। লিভারেজ উচ্চ লিভারেজ (৫০:১ থেকে ৫০০:১ বা তার বেশি) ব্রোকারদের দ্বারা প্রদান করা হয়। তুলনামূলকভাবে কম লিভারেজ, কারণ তাদের পুঁজি এমনিতেই অনেক বেশি। ট্রান্সঅ্যাকশন কস্ট স্প্রেড (Bid/Ask প্রাইসের পার্থক্য) এবং কিছু ক্ষেত্রে কমিশন। টাইট স্প্রেড (খুব কম পার্থক্য), মাঝে মাঝে ফিক্সড ফি বা কমিশন। বাজারের প্রভাব বাজারের উপর কোনো উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে না। তাদের ট্রেড বাজারের মূল্যে তাৎক্ষণিক এবং বড় প্রভাব ফেলতে পারে। তথ্য ও গবেষণা নিজস্ব গবেষণা, অনলাইন বিশ্লেষণ, ব্রোকারদের প্রদত্ত তথ্য। উন্নত গবেষণা দল, অর্থনৈতিক মডেলিং, দ্রুত ডেটা অ্যাক্সেস। ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা স্বতন্ত্র ট্রেডারদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং অভিজ্ঞতার উপর নির্ভরশীল। সুনির্দিষ্ট ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা দল এবং কৌশল, অত্যাধুনিক সফটওয়্যার ব্যবহার। প্রযুক্তি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এবং মোবাইল অ্যাপ। উচ্চ-গতির ট্রেডিং সিস্টেম, অ্যালগরিদমিক ট্রেডিং, ফিজিক্যাল সার্ভার সহ উন্নত অবকাঠামো। সংক্ষেপে, রিটেইল ফরেক্স ট্রেডিং হলো সাধারণ মানুষের জন্য ফরেক্স মার্কেটে অংশ নেওয়ার একটি উপায়, যেখানে পুঁজি এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা তুলনামূলকভাবে সীমিত। অন্যদিকে, ইনস্টিটিউশনাল ট্রেডিং হলো পেশাদার আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলির মাধ্যমে পরিচালিত বিশাল আকারের লেনদেন, যা বাজারের গতিবিধিকে প্রভাবিত করার ক্ষমতা রাখে এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীল। ফরেক্স মার্কেট সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা দেয়ার চেষ্টা করেছি। আশা করছি সঠিক ধারণা গ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছেন। আপনার অভিজ্ঞতা আমাদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। কমেন্ট বক্স আপনার জন্য উন্মুক্ত। শেয়ার করে অন্যকে শেখার সুযোগ করে দিন। আপনি কি ফরেক্স মার্কেটে নতুন? অথবা আপনি কি ফরেক্স মার্কেটে লুজার হচ্ছেন? তাহলে আমাদের এডুকেশন গ্রহণ করতে পারেন। আমাদের কোর্স গুলো ভিজিট করুন। কোর্স লিংক – FX Prime Academy Course

本間宗久 – Munehisa Homma / Sokyu Homma
Education

Munehisa Homma – The Father of Candlestick Trading

1700-এর দশকে জাপানের অর্থনীতি সিংহভাগ ধান ব্যবসার উপরে নির্ভরশীল ছিলো। উক্ত সময় জাপানে বাস করতেন এক কিংবদন্তি। তিনি ছিলেন সময়ের একজন সেরা ট্রেডার। ট্রেডিং মার্কেটে তার ছিলো নিজেশ্ব বিশ্লেষন ক্ষমতা এবং টেকনিক্যাল এনালাইসিস দক্ষতা। নাম তার মুনিহিসা হোমা (本間宗久 – Munehisa Homma / Sokyu Homma) মুনিহিসা হোমা মার্কেট সেন্টিমেন্ট এনালাইসিস করে এবং মার্কেট ডেটা স্টাডি করে এমন একটি ট্রেডিং সিস্টেম আবিস্কার করেন যা আজও সারা বিশ্বে ব্যবহার করা হয়। তার এই সিস্টেম দ্বারা তিনি শুধুমাত্র ধনভান্ডারের মালিক হয়েছিলেন তা নয়, তিনি Candlestick চার্টের জনক হিসেবেও খ্যাত। তার আবিস্কার গোটা বিশ্বের ট্রেডারদের চিন্তার ব্যাপক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছে। শৈশব ও পারিবারিক পটভূমি মুনিহিসা হোমা জন্মগ্রহণ করেন ১৭২৪ সালে। জন্মস্থান হলো জাপানের “সাকাটা” নামক শহরে। স্থানীয়ভাবে তার পরিবার “Honma House” নামে পরিচিত। ধান ব্যবসার উপরে এই পরিবার সবচাইতে অভিজ্ঞ ছিলো। হোমা যখন তার পারিবারিক বিজনেসের সাথে যুক্ত হন তখন তিনি বিভিন্ন বিষয় শিখতে থাকেন। বিজনেস যেহেতু পারিবারিক সূত্রে প্রাপ্ত তাই অভিজ্ঞ হতে খুব বেশি সময় লাগেনি। হোমা একটা জিনিস ভালোভাবে লক্ষ্য করেন যে, মার্কেট যখন ওঠা-নামা করে তখন সে কি ধরনের প্যাটার্ণ তৈরি করে এবং বায়ার এবং সেলারদের আচারণ কখন কেমন থাকে। গভীর দূরদৃষ্টির এই পর্যবেক্ষণ পরবর্তীতে তাকে মার্কেট এনালাইসিসে অভিজ্ঞ করে তোলে। ক্যারিয়ার ও ব্যবসায়িক জীবন হোমা একেবারেই তরুন বয়সে পারিবারিক ধান ব্যবসায় যুক্ত হন। সে সময় জাপানে “Rice Coupons” বা ধানের ফিউচার কন্ট্রাক্ট লেনদেন প্রচলিত ছিল। তিনি সাকাটা শহরের Dōjima Rice Exchange এ লেনদেন করতেন, যা বিশ্বের প্রথম সংগঠিত ফিউচার এক্সচেঞ্জ হিসেবে পরিচিত। হোমা তার ট্রেডিং সিস্টেমে শুধুমাত্র সাপ্লাই/ডিমান্ড থিওরী যুক্ত করেননি, বরং তিনি ক্রেতা এবং বিক্রেতার মানুষিকতার প্রতি গভীর দৃষ্টিপাত করেন। তিনি এটা বুঝতে সক্ষম হয়েছিলেন যে, “মার্কেট শুধুমাত্র সংখ্যাগত নয়, বরং মানুষের ইমোশনও জড়িতে যেমন ভয়, লোভ ও আশা মার্কেটে প্রভাব ফেলে।” উদ্ভাবন: Candlestick চার্ট মুনেহিসা হোমা লক্ষ্য করেন প্রতিটি ট্রেডের Open, High, Low, Close (OHLC) তথ্য থেকে বাজারের আবেগ বোঝা যায়। তিনি এই তথ্যকে Candlestick আকারে ভিজ্যুয়ালাইজ করেন, যা পরে “Japanese Candlestick Chart” নামে পরিচিত হয় Candlestick চার্ট ট্রেডারদের নিকট প্রকাশ করেঃ লেখনী ও দর্শন হোমা একটি বই লিখেছিলেন যা ব্যাপক সাড়া ফেলেছিলো। বইটির নাম “San-en Kinsen Hiroku” (The Fountain of Gold) এই বইতে তিনি যা বোঝাতে চেয়েছেন তার মূল বিষয়বস্তু হলোঃ হোমার নিজেশ্ব একটি উক্তি আছে তাহলো, “The market is the mirror of human emotion.” অর্থাৎ মার্কেট মানুষের আবেগের প্রতিবিম্ব। Sakata Rules: হোমার ট্রেডিং নিয়মাবলী হোমা তার জন্মস্থানকে গভীরভাবে ভালোবাসতেন। এতোটাই ভালোবাসতেন যে তার ট্রেডিং সিস্টেমের নাম তার নিজের শহরের নামেই নামকরন করেছেন। হোমা তার শহর সাকাটার নামে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ট্রেডিং নিয়ম প্রণয়ন করেন, যা আজও প্রাসঙ্গিক। এগুলো হল: এই নিয়মগুলো আধুনিক Candlestick Pattern Recognition-এর ভিত্তি। সাফল্য ও অর্জন একজন ট্রেডারকে মূল্যায়ন করা হয় মূতল তার অর্জন দেখে। হোমা ছিলেন একজন সফল ট্রেডার। সফল ট্রেডারদের উদাহরণ হিসেবে হোমার নাম অবশ্যই স্মরণ করতে হবে। উত্তরাধিকার মুনেহিসা হোমার চিন্তাধারা আধুনিক ট্রেডিং ও Technical Analysis-এর ভিত্তি। তার আবিস্কার যা যুগ যুগ ধরে বিশ্বে টিকে আছে এবং এর বিকল্প এখন আবিস্কৃত হয়নি। কয়েকটি উদাহরণ দেইঃ মুনিহিসা হোমা এমন একজন ট্রেডার যার স্টাইল বর্তমান সময়ের ট্রেডারদের অবশ্যই ফলো করা উচিৎ। তিনি শুধু একজন ট্রেডার নন, তিনি একজন সফল ট্রেডার, তিনি একজন ট্রেডিং সিস্টেমের জনক। মুনিহিসা হোমার এই জীবন দর্শন থেকে আমরা শিখতে পারি, মার্কেট সেন্টিমেন্ট ও মনস্তত্ত্ব একই সাথে বোঝাটা অনেক জরুরী। Candlestick চার্ট, Market Psychology, Discipline এই তিনটি মূল শিক্ষা এখনও ট্রেডারদের জন্য প্রাসঙ্গিক। আমার সর্শেষ বক্তব্য হলো, মুনেহিসা হোমা শুধু জাপানের জন্য নয়, বিশ্বব্যাপী ট্রেডিং ইতিহাসের জন্য একজন কিংবদন্তি।

Trading Psychology
Forex Trading

ফরেক্স মার্কেটে লুজার হওয়ার জন্য সাইকোলজি কতোটা দায়ী?

১৯৯০ সালের পর থেকে রিটেইল ফরেক্স মার্কেটে সাধারন মানুষের সম্পৃক্ততা প্রচুর হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। সাধারন মানুষের নিকট ট্রেডিং একটি সৌখিন ও লাভজনক পেশা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পাশাপাশি ফরেক্স মার্কেটে বিনিয়োগ সহজ থেকে সহজতর হওয়ায় যে কেউ চাইলেই সামান্য পরিমান অর্থ বিনিয়োগ করে ট্রেড করতেছে। সার্বজনিন একটি সত্য হলো যারা ফরেক্স মার্কেটে বিনিয়োগ করেন তারা সবাই প্রত্যাশা করেন প্রফিট করার। বিনিয়োগ যাই হোক না কেন প্রফিট করার আকাঙ্ক্ষা সবার মাঝেই বিদ্যমান। এখন প্রশ্ন হলো আসলে কি সবাই ফরেক্স মার্কেটে প্রফিট করতে পারতেছেন? একটি গবেষনা রিপোর্টে প্রকাশ পেয়েছিলো ফরেক্স মার্কেটে ৯৫% রিটেইল ট্রেডার লুজার। কিন্তু আপনি যদি বাংলাদেশের পরিসংখ্যান একবার চিন্তা করেন তবে এর পরিমান হয়তোবা আরো বেশি হতে পারে। সবার মনে একটাই প্রশ্ন যে, কেন এই মার্কেটে মানুষ এতো বেশি লুজার? এছাড়া এই লস থেকে বাচার উপায় কি? কিভাবে আমরা ফরেক্স মার্কেট থেকে ট্রেডিং করে প্রফিট করতে পারবো? এই তিনটা প্রশ্নের উত্তর মাত্র একটি। আমি যদি এক কথায় উত্তর দেই তবে অনেকেই হয়তোবা মূল বিষয়ের গভীরে প্রবেশ করতে সক্ষম হবেন না। তাই আমি বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে সকল সমস্যা সঠিকভাবে চিহ্নিত করে তার সমাধান বের করবো। কেন সবাই ফরেক্স মার্কেটে লস করে? বিজনেস মানে লস/প্রফিট উভয়ই থাকবে। যে ভালো বিজনেস বুঝতে পারেন সে ভালো প্রফিট করতে পারেন। যদি কেউ কোন বিজনেস ভালোভাবে না বুঝে শুরু করেন তবে সে লস করলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। এটাই সত্য এটাই বাস্তব। আমাদের দেশের ট্রেডারদের লসের প্রধান কারন হলো তারা না শিখে বিনিয়োগ করেন এবং ট্রেড করে লস করেন। এই প্রবনতা প্রায় ১০০% মানুষের মাঝেই আছে। আপনি যদি কোন অনলাইন ফোরাম একটি পোস্ট করেন এবং শেখানে দুইটি অপশন দেন যে, ১। ফরেক্স শিখুন ২। নিশ্চিত প্রফিট, সবাই ২ নাম্বার অপশন বেছে নিবে। মানুষের মাঝে কেন এই প্রবনতা? কেন মানুষ না শিখে ট্রেডিং শুরু করে? এইসব প্রশ্নের বেশ কিছু উত্তর আমার নিকট আছে। যেমন আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ দরিদ্র। চোখে স্বপ্ন অনেক কিন্তু সামর্থ কম। অনেক নাপাওয়ার গল্প আছে সবার জীবনে। প্রত্যাশা এবং চাহিদাও প্রচুর আমাদের মাঝে। এমন ও আছে পরিবারে মেবার ১০ জন কিন্তু উপার্জনক্ষম ব্যাক্তি মাত্র একজন। এসব পরিবারের প্রতিটা সদস্যের মাঝে অনেক নাপাওয়ার গল্প থাকে। এই পরিস্থিতিতে যদি সামান্যতম সম্ভবনাও আমাদের সামনে আসে তবে আমরা তা মিস করতে চাই না। এখানে মানুষের আবেগ কাজ করে সবচাইতে বেশি। এছাড়া ফরেক্স চার্ট দেখে একজন সাধারণ মানুষ ইম্প্রেস হয়ে যায়। তার নিকট মনে হয় বিষয়টা কতোই না সহজ। বাস্তবতা হলো তিনি এখানে ক্ষতিগ্রস্থ হন। এর পাশাপাশি আমাদের দেশে একশ্রেনীর দালাল আছে যারা নিজেরা ট্রেডার না তারা নিজেদের অ্যাফিলিয়েট হিসেবে দাবী করেন। তারা জানে মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হবে এবং সে নিজে লুজার হবে তাই সে অ্যাফিলিয়েটের নামে মানুষকে ভুল বুঝিয়ে এই মার্কেটে বিনিয়োগে উৎসাহী করে। আমি লসের যে কারন গুলো উল্লেখ করলাম এটাই যে সব কারন তা কিন্তু নয়। আমি যা আলোচনা করলাম তা একজন ট্রেডার প্রাথমিক অবস্থায় এসবের সম্মুখীন হয়ে থাকেন। আপনি যদি জ্ঞানী ব্যাক্তি হয়ে থাকেন তবে নিশ্চয় আপনার মনে একটি প্রশ্ন ইতিমধ্যেই উকি দিচ্ছে। “যারা সিনিয়র ট্রেডার, অনেক শিখেছেন তারা কেন লস করতেছে?” আসলে আমাদের আজকের আলোচনার মূল টপিক হলো এটি। আমরা অনেক ট্রেডারকে জানি যারা ১০/১৫ বছর ধরে এই মার্কেটে ট্রেড করে টিকে আছে কিন্তু সাকসেস বলতে কিছুই নেই। সে নিজে যেমন লুজার ঠিক তার শিষ্যরাও লুজার। এর আসল কারন এখনো কেউ সামনে আনতে সক্ষম হয়নি। আমি কিছু কারন উল্লেখ করবো। যদি আপনার নিকট গ্রহনযোগ্য হয় তবে কমেন্ট করে জানাবেন। সিনিয়র ট্রেডার যিনি তিনিও লুজার এর পিছনে কারন খুব বড়ো নয়। এর মূলে রয়েছে প্রপার এডুকেশন। একজন সিনিয়র ট্রেডার যদি তিনি দাবী করেন যে তিনি ১০/১৫ বছর ধরে ট্রেডিং করতেছেন তবে বুঝতে হবে তিনি অনেক অভিজ্ঞ। তিনি অভিজ্ঞ হলেও তিনি কি তার জীবদ্দশায় প্রপার এডুকেশন পেয়েছেন কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের দেশে মাশাল্লাহ বর্তমানে মেন্টরের সংখ্যা ট্রেডারের তুলনায় অনেক বেশি। কিন্তু এসব মেন্টর স্যারেরা অধিকাংশই ইউটিউব, গুগল সার্চ, পিডিএফ, পাইরেসি কোর্স এবং সনপ্রতি এ আই দিয়ে ফরেক্স এডুকেশন নিয়ে থাকেন। কিন্তু বাস্তবতা অনেক ভয়াবহ, কারন তার শিক্ষার প্রতিটা পদক্ষেপই ভুল। সঠিক ফরেক্স শিক্ষার ২০% ও আপনি ইউটিউব, গুগল, পিডিএফ, পাইরেসি কোর্স এবং এ আই এর নিকট নেই। ফলে তিনি যা শিখেছেন তা অসম্পন্ন। আর একটি অসম্পন্ন এডুকেশন এপ্লাই করে লুজার ছাড়া কিইবা আশা করবেন? এটা ট্রিলিয়ন ডলারের মার্কেট এটা মাথায় রাখতে হবে। এবার আসুন এসব মেন্টরদের শিষ্যরা কেন লুজার তা নিয়ে আলোচনা করি। আমি কিছু বাস্তব সত্য তুলে ধরতে চাই। কেউ যদি রাগ করেন এতে আমার কিছুই করার নেই। আমি আমার জীবনের কিছু সত্য তুলে ধরি এতে আপনাদের বুঝতে সহজ হবে। আমি আমার জীবনে ২০১৪ সাল থেকে বাংলাদেশের প্রায় ২৫ টির ও বেশি ফরেক্স কোর্স সম্পন্ন করেছি। মেন্টর আমাকে যা শিখিয়েছেন আমি তা শিখেছি এবং তার প্রয়োগ করেছি। আমি বলছি না আমার কোন মেন্টর স্যার আমাকে ভালোভাবে শেখাতে পারেননি। আমি বলতে চাইছি আমি যা শিখেছি তা দিয়ে আমি প্রফিটেবল হতে পারিনি। আমি বার বার লুজার হয়েছি। যতোজন মেন্টরকে আমি আমার লসের কথা শেয়ার করেছি তাদের সবার একটাই বক্তব্য যে, আপনার সাইকোলজি ঠিক নেই। সাইকলজি ঠিক করে ট্রেড করুন, নিয়ম মেনে ট্রেড করুন। এখানে মেন্টর স্যার আমাকে সরাসরি দোষী বানিয়ে দিলেন আমার লসের জন্য। আমার প্রশ্ন লসের জন্য কি একমাত্র আমিই দায়ী? আসুন আপনাদের সাইকোলজিটা একটু ব্যাখ্যা করি। ট্রেডিং করার সময় যে লস হয় সেজন্য আমাদের সাইকোলজি দায়ী নাকি ভিন্ন কিছু আছে? ট্রেডিং মার্কেটে লসের জন্য সাইকলজি আসলে কতোটা দায়ী? আমি একটি উদাহরণ আপনাকে দিব যার মাধ্যমে আপনি বুঝতে পারবেন আসলেই আপনার সাইকোলজি আপনার লসের জন্য দায়ী কিনা। ধরুন আপনি ঢাকার শহরে কোন একটি কাজে গেলেন। হতে পারে আপনি কোন দরকারে পুরান ঢাকা অথবা গুলশান এসব কোন এরিয়াতে প্রবেশ করেছেন। যথারীতি আপনার কাজ শেষ করে আপনি এখন চাইছেন ঢাকা থেকে বের হতে। এমন হতে পারে আপনি রাস্তা চিনোট পারতেছেন না। এই সময় আমি মনে করি যেকোন মানুষের সাইকলজি নষ্ট হতে পারে। এই সময় হতে পারে আপনি কারো কাছে সঠিক রাস্তায় যাওয়ার জন্য পরামর্শ চাইলেন। কেউ একজন আপনাকে একটি রাস্তা দেখালো যা সম্পূর্ণ ভুল। আপনি যখন বুঝলেন যে কেউ আপনাকে একটি ভুল রাস্তা দেখিয়েছে ততোক্ষণে আপনার অনেক সময় নষ্ট হয়ে যাবে। যার ফলে আপনার সাইকোলজি আরো ডাউন হবে। এবার আপনি চিন্তা করলেন আপনি নিজে সঠিক রাস্তায় যাওয়ার ট্রাই করবেন। যদি সঠিক রাস্তা নিজে খুজে পান এটা ভালো তবে যদি আবার ও রাস্তা ভুল হয় বলেন তো আপনার সাইকোলজির কি অবস্থা হবে? আপনি সঠিক রাস্তা খুজে পাচ্ছেন না এর জন্য বাস্তবে আপনার সাইকোলজি কতোটা দায়ী? যখন কোন ট্রেডার লুজার হয় তখন ঠিক এভাবেই একটি পরিস্থিতিতে পড়ে

Scroll to Top